1. admin@bd24voice.com : BD24VOICE.COM : BD24 VOICE
  2. bd24voice@hotmail.com : BD 24 VOICE : BD 24 VOICE
  3. tusher719@gmail.com : BD 24 VOICE : BD 24 VOICE
  4. khandakarabusufian1994@gmail.com : BD 24 VOICE : BD 24 VOICE
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কিশোরগঞ্জ জেলা আঃ লীগ নেতা আনোয়ার কামালকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর কাঠ মোল্লাদের একাল সেকালের ফতোয়া – মুন্সি জাকির হোসেন জাতিসংঘে মাদক তালিকা থেকে বাদ গাঁজা এবং ওষুধ তৈরির অনুমতি ইন্টারপোলের রেড নোটিশঃ করোনা ভাইরাসের নকল ভ্যাকসিন বিক্রি হতে পারে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ১৭ জন ভারতীয়কে আটক করেছে কিশোরগঞ্জ ও কুলিয়ারচর পৌরসভা নির্বাচন আগামী ১৬ জানুয়ারি ডেঙ্গু জ্বরে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদিকার মৃত্যু কিশোরগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত যুবলীগের সাথে এক মিনিট লড়ার ক্ষমতা মামুনুল হকের নেই – নিক্সন চৌধুরী বাংলাদেশি কয়েকজন নাবিকদের জিম্মি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা

বিশ্বের ৪০টি দেশে করোনা চিকিৎসায় বাংলাদেশের তৈরি ওষুধ

নিজেস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩২৩ বার পড়া হয়েছে

সারা বিশ্বে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধের অন্যতম হাতিয়ার বাংলাদেশি ঔষধ। বিশ্বের বাজারে অন্যরকম কদর পাচ্ছে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প। বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে একের পর এক ওষুধে চাহিদা আসতে শুরু করে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৪০টি দেশে রপ্তানি হয়েছে করোনা চিকিৎসায় বহুলব্যবহৃত বাংলার পাঁচটি ওষুধ। শুধু পাঁচটি নয় অন্যান্য শুধু করো না খালি ছুটেছে দেশে দেশে। গত ছয় মাসে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার ঔষধ রপ্তানি করে বাংলাদেশ। এখনো চাহিদা অনুযায়ী অর্ডার আসছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে।

সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয়েছে করোনার বিরুদ্ধে চিকিৎসার ঔষধ- ফেভিপিরাভির, রেমডেসিভির, আইভারমেকটিন, এজিথ্রোমাইসিন, হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন। দুই মাস হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের বিপুল চাহিদা থাকলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়।

ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব মোঃ শফিউজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, অনেক ধনী, অনেক বড়, অনেক প্রভাবশালী দেশীয় বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে এবং ঔষধের অর্ডার আসছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে বাংলাদেশের ওষুধ নিচ্ছে। যার ফলে এটাকে বাংলাদেশের বড় সাফল্য হিসেবে দেখা উচিত।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অনেক ওষুধ কোম্পানির সক্ষমতা শতভাগ বিশ্বমানের। ইউরোপ এবং আমেরিকার বড় বড় ওষুধ কোম্পানির যে সক্ষমতা ও যে মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রয়েছে আমাদের দেশের কয়েকটি কোম্পানির তা আছে বলেই আমরা সেই মানের যে কোন ঔষধ দ্রুতগতিতে তৈরি করতে পারছি। এবার করোনা চিকিৎসায় যে ঔষধ নিয়ে যখন আলোড়ন উঠেছে তখন এই সবার আগে আমরা সেইসব এর কোন কোন ঔষধ বিপুল পরিমাণে তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়া ইউরোপ আমেরিকায় এক ডোজ রেমডেসিভিরের চেয়ে আমাদের দেশে উৎপাদিত রেমডেসিভিরের দাম বহুভাগ কম। এই কারণেই অন্যান্য দেশ বাংলাদেশ থেকে ওষুধ নেওয়ার জন্য লাইন দিয়েছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশের ঔষধি বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে। ইউরোপ-আমেরিকাসহ বহু দেশে বাংলাদেশের তৈরি ওষুধের চাহিদা অনেক বেশি। এরমধ্যে করুণা ভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর যে যখন এই যে ঔষধ বেশি কার্যকর হওয়ার তথ্য প্রকাশ পেয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে থেকে তখনই সেই ওষুধের চাহিদা আসে বাংলাদেশে। এই প্রক্রিয়ায় দেশের কমপক্ষে ৮টি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত কয়েকটি ওষুধের রপ্তানি বহুগুণ বেড়ে যায়।

তিনি আরো জানিয়েছেন, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় এখন পর্যন্ত ৪০টি দেশে রপ্তানি হয়েছে বাংলাদেশের তৈরি ঔষধ। এর মধ্যে রয়েছে পাশের দেশ ভারত, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ইরাক , আফগানিস্তান, ফিলিপাইন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুদান, মিশর, লিবিয়া, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, তুরস্ক, চিলি, ব্রাজিল, মেক্সিকো, তিউনিসিয়া, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, ঘানা, মৌরিতানিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, পূর্ব তিমুর, যুক্তরাজ্য, পোল্যান্ড, ইউক্রেন, মলদোভা, নাইজেরিয়া, ক্যামেরুন, সোমালিয়া, আইভরি কোস্ট, ফিজি, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া ও পেরু ইত্যাদি দেশগুলো অন্যতম কথা ছিল বাংলাদেশের তৈরি ওষুধের। এছাড়াও আরও কয়েকটি দেশে ঔষধ রপ্তানি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ওষুধ প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো, স্কয়ার, ইনসেপ্টা, রেনেটা, এসিআই, এসকেএফ, হেলথকেয়ার, পপুলার, বিকন, একমি, এরিস্টোফার্মার সহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ঔষধ গত কয়েক বছরের তুলনায় দ্বিগুণ রপ্তানি হয়েছে করোনার বিপর্যয়ের মধ্যে।

বাংলাদেশের প্রস্তুতকৃত ঔষধের বিশ্ববাজারে রয়েছে ঈর্ষণীয় চাহিদা। বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী দেশের ওষুধ শিল্পের চাহিদা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রস্তুতকৃত ওষুধের চাহিদার তুলনায় অর্ধেক। করোনা প্রাদুর্ভাব এর মধ্যেই বিশ্বের বহু প্রযুক্তি সমৃদ্ধ দেশ যে আস্থা রেখেছে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের উপর তার সত্যিই একটি বড় সাফল্য। আশা করা যাচ্ছে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ওষুধের চাহিদার যে ক্রমবর্ধমান গতি বা সূচক তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের প্রস্তুতকৃত ঔষধ একদিন বিশ্ববাজারে শাসন করবে। সেই দিন খুব বেশি দূরে নয় কারণ বর্তমানে বিশ্বের ১৫৫টি দেশে বাংলাদেশ ঔষধ রপ্তানি করে আসছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব